Sign up with your email address to be the first to know about new products, VIP offers, blog features & more.

চায়না টাউন

জানেন !

এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতা হলো কাল – চায়না টাউন এর গলি গুলো তপসিয়া অঞ্চল থেকে একে বেকে ঢুকে গ্যাছে সহরের আরেক প্রান্তে। একটা কাজের জন্য গেছিলাম সেই কোন সকালে , সুজ্জি তখন মাথার উপরে থেকে সরে ইশত পশ্চিম মুখী।
খিদের তাড়নায় ঢুকলাম একটি রেস্তোরা কাম বার এ। শেষ শব্দ টি আমার সাথে বেমানান কারণ তরল মদ বা বায়বীয় “দম মারো দম ” কোনটাই আমায় টানেনা , আলুর দম ইস সামথিং আই এম মোর প্রোন টুওয়ার্ডস।

যাই হোক , হালকা খর ভেজা হরিদ্রাভ স্পট লাইট চুইয়ে পরছে বাস বা বেতের চিকের গা বেয়ে , বাইরে তখন ” দারুন অগ্নি বানেরে ” ভিতরে ঢুকতেই ১৬ ডিগ্রির শীতল সুরসুরি। স্মিত হাস্সমান ওয়েটার এসে অর্ডার নিয়ে চলে গিয়েও ফিরে আসার ভঙ্গিমায় এসে ” এন্ড এনি ড্রিঙ্কস ফর ইউ স্যার ?”

নাহ। (বেচারাকে মর্মাহত করলাম। )


সুনেছি খিদে পেলে খুদ্রান্ত বৃহদান্ত্রে নাকি ইদুরের উপদ্রব হয় – মর্মে মর্মে তা উপলব্ধি করছিলাম। অপিটায়জের, স্টার্টার কিচ্ছু না কেবল নেহাত খুদা নিবৃত্তির চলে ঢোকা। সুধু রাইস হোক বা নুডলস “নেড়ে চেরে , দে মা লুটে পুতে খাই ” 


“বসে আছি পথ চেয়ে “- চারিদিক নিজ্ঝুম প্রশান্তি – উইক দে , তে দুপুর বেলা। চোখ বন্ধ করে মাথা ধরে বসে আছি। এক বেয়ারা সাদা কাপড় হাতে কার্ত্লেরি মুছছেন। লম্বা লম্বা কাটা চামচ , স্পট লাইটের আলোর আঘাতে ঠিকরে পরছে দ্যুতি। থুং থাং আওয়াজ যেন রণক্ষেত্রে যুদ্ধরত সৈন্য কুল। সুধু এইগুলোর আঘাতে ফালাফালা হবে মেরি নেট্যাড্ চিকেন , মটন , পর্ক , ল্যাম্ব আরো কত কি। বিলিতি স্কচের গন্ধে সেই মুহুর্তে স্নায়ু যেন দুদুভাতু। 


ঠুং ঠ্যাং আওয়াজে -বেয়ারা মুছছেন সেই জাম – এ – পয়্মানা।

দুটি গ্লাসের আঘাতে ভাঙ্গলো ঘোর

শুনি -সে বলছে

– স্যার। , স্যার !এক কোক দে ?

A blogger in search of diversified shades of life…

share

Leave a Reply

Be the First to Comment!

Notify of
avatar