Sign up with your email address to be the first to know about new products, VIP offers, blog features & more.

মাধ্যমিক

পদার্থবিদ্যার একটি পরিচিত শব্দ হলো “মাধ্যম” যার মধ্যে দিয়ে তরঙ্গ প্রবাহিত হয়। তরঙ্গ যা কখনো সৃষ্টিশীল হয়ে তৈরী করে সংগীত আবার ফ্রাঙ্কেনস্টাইন হলে সেটি “নয়েস ”

তবে ছাত্রাবস্থায় যেটি জীবনের মাইলস্টোন স্বরূপ সেটি হলো “মাধ্যমিক ” – এটিও যেন একটি মাধ্যম যার মধ্যে দিয়ে তরুণ ছাত্র নিজেকে তৈরী করে ভবিষৎ ক্যারিয়ার এর জন্য। তবে প্রাপ্ত নাম্বারের মাপকাঠিতে ছাত্রকে মাপলে প্রকৃত পক্ষে তার অনেকটাই যথার্থ হয় কি না তা নিয়ে মতান্তর থাকতে পারে। তবে একটি জিনিস সত্যি তা হলো এই দশ বছরে যা শিখলাম তা কতটা মুখস্ত করার থেকে কতটা আত্মস্থ করতে পারলাম সেটি হওয়া উচিত বিচার্য। তবেই হবে সঠিক মূল্যায়ন।

শুনলাম গত কাল থেকে শুরু হয়েছে এই বছরের মাধ্যমিক। আগে এই পরীক্ষা শুরু হবার আগে পাড়ার সিনিয়রদের খেলতে আসা বন্ধ , পড়াশুনো আর খেলার সময়ের অনুপাতে বিশাল তারতম্য। অদ্ভুতভাবে পরীক্ষার দুদিন আগেই দূরদর্শনে মাধ্যমিকের সিলেবাস নিয়ে বিস্তর আলোচনা। ভীষণ অসহায় লাগতো পড়া উচিত না দূরদর্শন দেখবো।

কর্মক্ষেত্রে পদক্ষেপের পর থেকেই মাধ্যমিক মানেই বছর গোনা , কত বছর আগে যেন দিয়েছিলাম ? অন্যদের কথা বলা যায়না তবে ব্যক্তিগত ভাবে কর্মক্ষেত্রে অনেক প্রবীণ যারা নবাগতের বয়স আন্দাজ করতে অসমর্থ ছিলেন তারা একটি প্রশ্নে অনায়াস “তোমার মাধ্যমিক তা যেন কোন বছর ?” ব্যাস সঠিক জবাব পেলেই অভিজ্ঞরা বুঝে নেবেন তাদের তুলনায় কতটা জুনিয়র আপনি।

তবে প্রাচীন হন বা অর্বাচীন পরীক্ষার্থী একটি বিষয় এখনো সমান তা হলো টানটান উত্তেজনা আর একরাশ আন্তরিক স্বদিচ্ছা নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার, দূরে থাক না শত শত বাহ্যিক কৃত্রিম চাপ।

মাধ্যমিক হোক প্রকৃত অর্থে পরীক্ষা – যা নির্ণয় করবে ভবিষ্যতের প্রকৃত মানুষ।

সকল পরীক্ষার্থীদের জন্য থাকলো অঢেল শুভেচ্ছা।

A blogger in search of diversified shades of life…

share

Leave a Reply

Be the First to Comment!

Notify of
avatar