Sign up with your email address to be the first to know about new products, VIP offers, blog features & more.

কেদারানাথ

সেক্টর ফাইভের খুব চেনা একটি দৃশ্য – একটি ছোট্ট টেম্পো জাতিয় বোঝাই করে মাঝে মধ্যেই প্রচুর রিভলভিং চেয়ার নিয়ে হাজির হয় কিছু মানুষ।

-“ভাইয়া এ এড্রেস তানিক বাতাইয়েঙ্গে ?” বললেন জনৈক খালাসি

– আঃ হা ! এটা তো পরের লেন এ 

মুখ ব্যাজার করে দাঁত খিঁচিয়ে ড্রাইভারকে বললেন “বোলা থা, তে ইতনা হারবাড়ি মত্ কার – ল্যা অব ঘুসা দিয়া না ?”

এ অঞ্চলে মাঝেমধ্যেই ছোট মাঝারি কোম্পানি খোলে , বন্ধ হয় , আবার খোলে। তাই প্রয়োজনে ডাক পড়ে তাবরেজ, রাজ্জাক, বাবু ভাইদের মতন অগুনতি মানুষের যারা রকমারি কেদারা নিয়ে মাঝে মধ্যেই আসেন এই কঙ্ক্রিট জঙ্গল এ। চোখ বড় করে স্তম্ভিত হয়ে গোগ্রাসে গেলে বিশাল বিশাল অট্টালিকার ব্যাপ্তি।
এরই কোনো এক ঘরে বাতানুকূল পরিবেশে ঝাপসা কাঁচের আড়ালে একগুচ্ছ লোক কি যেন করেচলেছে। কখন প্রচুর কথা বলা , কখনো কোড আর বাগস এর আড়ি ভাব , সদ্য চাকরি পাওয়া ফ্রেশারের অগুনতি স্বপ্নের মায়াজাল,সাফল্যের সাপ মই খেলা, সুপারভাইসর বা ম্যানেজারের চোখ পেড়িয়ে হালকা দিবানিদ্রা, ইনক্রিমেন্টের খবর নিয়ে চওড়া হাসি বা স্যাক হওয়া কর্মচারীর অস্ফুট কান্নার জল। সবই দেখবে এই কুরসি গুলো।

Image Courtsey : Google

গদি বসে যাবে জীবনযুদ্ধের বিভিন্ন পর্বে , সূর্যাস্তের পর আবার সূর্য উঠবে। আর কুয়াশা ঘেরা সকালে , বিড়ির ধোয়ার কুণ্ডলীর মাঝে উঁকি দেবে সুরমা দেয়া দুটি চোখ – তার লব্জ ফের জিজ্ঞেস করবে

-“ভাইয়া এ এড্রেস তানিক বাতাইয়েঙ্গে ?”

share

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of