Sign up with your email address to be the first to know about new products, VIP offers, blog features & more.

শৈশব দীর্ঘায়ু হোক

এই যাহঃ ! কেমন দেখতে দেখতে রাত্রি হয়ে গেলো।

-এই হলো আসল সমস্যা। ছোট্টবেলার প্রথমপাঠ। ঘড়ির তিনটে কাঁটা , তার হাত ভালো করে যে ধরতে পাড়ে সেই উন্নতির আলো দেখে। বিষয়টা যদিও ভীষণ প্রাসঙ্গিক এবং নিঃসন্দেহে সঠিক। কিন্তু মুশকিল কখনো ঘড়ির কাটা আস্তে ঘোড়ে আর কখনো জলদি , আর এই এক্সিলারেশন ডিএক্সিলারেশন এর চক্করে কখন যে ছোট্ট শিশুটি পরিণত হয় সেটা সে নিজেও বুঝতে পারেনা।
সত্যি কি বুঝতে পারেনা। আমার মতে নিশ্চই বুঝতে পারে , তবে সবথেকে মজার জিনিস হল যে এই অনুধাবন যখন হয় তখন ইটস টু লেট্। কারণ টাইম মেশিন বলে ব্যাপার টা নিতান্তই কাল্পনিক।

শান্ত পুকুরে ঢিল ফেললে যে রিপল ইফেক্ট হয় সেরকমই জীবনের একটা সময় এসে মনে হয়, সব যেন কিরকম এলোমেলো হয়ে গ্যালো। শৈশবের অগুনতি আবদার ঠিকঠিক সময় আর ধরা দেয়না।যে শিশু পুজোয় কটা জামা হয়েছে সেই সংখ্যা গুনতো , সেই শিশুই এখন নাম্বার ক্রান্চিং এ ব্যস্ত। পিঠের হালকা ব্যাগ ক্রমে ভারী হতে থাকে , বই , খাতা , কর্তব্য , দায়িত্ব, সংসার আরো কত কি !

এখন তো দিনান্তে ক্লান্ত চোখ যখন আবার পড়ে ঘড়ির উপর তখন ইটস এবাউট থিংকিং পসিটিভ হয়ে পরের দিনের পরিকল্পনা।
কিন্তু ঘড়ি সে আজও ”ঘড়ি” – সে আজও বলে “এই যাহঃ ! কেমন দেখতে দেখতে রাত্রি হয়ে গেলো।“

শৈশব দীর্ঘায়ু হোক – দিনান্তে হলেও , শুভ শিশু দিবস !

share

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of